কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬ এ ০২:৪৭ PM

গ্রাম আদালত আইন ও বিধিমালা

কন্টেন্ট: পাতা

  • গ্রাম আদালত আইন ২০০৬

গ্রাম আদালত হলো গ্রামীণ এলাকার ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিবাদ দ্রুত ও সহজে নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে গঠিত স্থানীয় বিচার ব্যবস্থা, যা মূলত গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয় পক্ষের মনোনীত ২ জন করে মোট ৫ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয়। এই আদালত সর্বোচ্চ ৩০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের দেওয়ানী ও ফৌজদারী উভয় ধরনের মামলার বিচার করতে পারে।

গ্রাম আদালতের মূল বৈশিষ্ট্য ও তথ্য:
• গঠন: ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (গ্রাম আদালত চেয়ারম্যান হন) এবং উভয় পক্ষের মনোনীত ২ জন (১ জন ইউপি সদস্য এবং ১ জন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি) করে মোট ৫ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত (প্যানেল) গঠিত হয়।

এখতিয়ার: সাধারণত ৩০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা পর্যন্ত মূল্যেমানের ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় ধরনের বিরোধ, যেমন- সাধারণ মারপিট, গবাদি পশু চুরি, জমির ফসল বা সম্পত্তির ক্ষতি বা জমির জবর দখলমুক্তকরণ সংক্রান্ত বিষয়।

ফিস: যেখানে খরচ খুবই কম (দেওয়ানি ফি ২০ টাকা, ফৌজদারি ফি ১০ টাকা) এছাড়া আর কোন খরচ নেই।

• অভিযোগ দাখিল: লিখিতভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে হয়, যাতে আবেদনকারী ও বিবাদীর নাম, ঠিকানা, ঘটনার বিবরণ ও প্রতিকার চাওয়া হয়।

সুবিধা: স্বল্প খরচ, দ্রুত বিচার (সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্য) এবং স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসা হয় যার ফলে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকে।

ফলাফল: গ্রাম আদালতের রায়ে অসন্তুষ্ট হলে উচ্চতর আদালতে আপিল করা যায়।

এই আদালত স্থানীয় পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা দ্রুততর করতে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ বিস্তারিত আইন জানতে পিডিত্র ফাইলটি ডাউনলোড করোনঃ

📎 গ্রাম আদালত আইন-২০২৬.pdf


ফাইল ১
ফাইল ২

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ২

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন